রাজ্য
চিটফান্ড মামলায় গ্রেফতার তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ কে ডি সিং!

নিজস্ব প্রতিনিধি : কে ডি সিং, তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ কে এনফর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট অর্থাৎ ইডি বেআইনি আর্থিক লেনদেন মামলায় গ্রেফতার করল। এই ব্যবসায়ী ২০১৪ সালে তৃণমূলের টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ হন। ২০২০ সাল পর্যন্ত সাংসদ ছিলেন তিনি। দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এই গ্রেফতারি মামলায় ইডি জানিয়েছে, প্রায় ২৩৯ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে কে ডি সিং-এর বিরুদ্ধে। এই প্রাক্তন সংসদের বিরুদ্ধে নিজস্ব ব্যবসায়িক সংস্থা অ্যালকেমিস্টের জন্য বিপুল পরিমাণ টাকা তোলার অভিযোগ রয়েছে। যে টাকা সাইফনিং করা হয়ছে বলে জানা যাচ্ছে। বুধবার অভিযুক্তকে আদালতে তোলার সম্ভাবনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, চিটফান্ডের সঙ্গে এই প্রথম তার যোগসূত্র পাওয়া গেছে তা নয়। পূর্বেও সারদা এবং নারদ কাণ্ডের সময়ও একাধিকবার তৃণমূলের এই রাজ্যসভার সাংসদের নাম উঠে এসেছে। জেল থেকে সুদীপ্ত সেনের লেখা চিঠিতেও কে ডি সিং-এর নাম ছিল। সূত্রের খবর, বিগত কয়েকবছর ধরেই ইডির খাস নজরে ছিলেন কেডি সিং।
তাকে জেরা করে কোন্ কোন্ প্রভাবশালীরা এই ঘটনায় যুক্ত তা জানার চেষ্টা করবে ইডি। উনার একার পক্ষে এই পরিমাণ টাকা বিদেশে পাচার করা সম্ভব না, কাজেই সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে। এই মামলায় ইতিপূর্বে অ্যালকেমিস্টের একাধিক অফিসার-কর্মীকে জেরা করা হয়েছে। তবে প্রতিবারই জেরায় কেডি বারবার অস্বচ্ছতা রেখে যাচ্ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই এই গ্রেফতারি।
রাজ্য
চিটফান্ড-কাণ্ডে এবার পিসি সরকার জুনিয়রের বাড়িতে সিবিআই তল্লাশি!

নিজস্ব প্রতিনিধি : শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা হাজির হলেন পিসি সরকার জুনিয়রের মুকুন্দপুরের বাড়িতে। তল্লাশি চালানোর জন্যেই তাদের ওই বাড়িতে যাওয়া। তবে কী কারণে এই তল্লাশি অভিযান, তা অবশ্য সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়নি। মুখে কুলুপ এটেছেন পিসি সরকারের পরিবারের সদস্যরাও।
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, চিটফান্ড-কাণ্ডের তদন্তে ৪টি জায়গায় তল্লাশি চলছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এই ৪টি বাড়ির মধ্যে একটি হল জুনিয়র পিসি সরকারের বাড়ি।
একটি রেস্তরাঁ নিয়ে টাওয়ার গোষ্ঠীর সঙ্গে জুনিয়র পিসি সরকারের ব্যবসায়িক চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তির সময় তিনি টাওয়ার গোষ্ঠী থেকে টাকাও নিয়েছিলেন। রেস্তরাঁ নিয়ে টাওয়ার গোষ্ঠীর সঙ্গে যে চুক্তি, তার বাইরে অন্য কোনও ভাবে টাকা লেনদেন হয়েছিল কি না, তা জানার চেষ্টা করছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।
সিবিআই সূত্রে খবর, শুক্রবার মুকুন্দপুরের পূর্বালোকের বাড়িতে সকাল সাড়ে ১১টা থেকে তল্লাশি চালানো হয়েছে। বিভিন্ন নথিপত্র খতিয়ে দেখা হয়েছে। টাওয়ার গ্রুপের সঙ্গে কী ভাবে তার চুক্তি হয়েছিল, সে বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।