Connect with us

রাজ্য

পুলিশকে নারকেল গাছে বেঁধে রাখার উস্কানি বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের।

Published

on

Social Update Bengali News Image
Image Source Twitter

নিজস্ব প্রতিনিধি : বিতর্কিত মন্তব্য করা যেন তার ‘ডেইলি রুটিন’এর মধ্যেই পরে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ গত রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরে এক দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে যান। হুডখোলা জিপে মিছিলের পর জনসভায় ভাষণ দেন দিলীপ। তিনি বলেন, ‘রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের লোকজন বিজেপির উপর হামলা করছে, গাড়়িতে ভাঙচুর করছে। আমার গাড়ি দশবারেরও বেশি ভেঙেছে। পশ্চিমবঙ্গের এই হিজড়া পুলিসকে দিয়ে কী হবে?!’

উপস্থিত জনতাকে দিলীপ বাবু পরামর্শ দিয়েছেন, রাতে যদি পুলিসের কেউ রেড করতে আসে, তাহলে তাঁকে ধরে নারকেল গাছে বেঁধে রাখবেন। সকালে গ্রামের লোকেরা বিচার করবেন! পুলিশ আমাদের পয়সায় তৃণমূলের ক্যাডার হয়ে কাজ করছে! এই মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। তিনি বলেছেন “দিলীপবাবু একজন অসভ্য লোক। বাংলা শেখেননি, অর্ধশিক্ষিত। যদি নিজেকে সংশোধন না করেন, তাহলে রাজনৈতিক ক্ষেত্র থেকে বহিষ্কার করা উচিত।”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সোমবার শিলিগুড়িতে উত্তরকন্যা অভিযানের ডাকে উত্তরবঙ্গে ৮ জেলা থেকে এই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন লক্ষাধিক বিজেপি কর্মী-সমর্থক। কর্মসূচি বানচাল করার ক্ষমতা নেই তৃণমূলের, তাই পুলিস-প্রশাসনকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে ভারতীয় জনতা পার্টির অভিযোগ। তবে একজন রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে এ ধরনের কুরুচিকর মন্ত্যব্য কি আদেও গ্রহণযোগ্য?

রাজ্য

চিটফান্ড-কাণ্ডে এবার পিসি সরকার জুনিয়রের বাড়িতে সিবিআই তল্লাশি!

Published

on

Social Update Bengali News Image
Image Source Twitter

নিজস্ব প্রতিনিধি : শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা হাজির হলেন পিসি সরকার জুনিয়রের মুকুন্দপুরের বাড়িতে। তল্লাশি চালানোর জন্যেই তাদের ওই বাড়িতে যাওয়া। তবে কী কারণে এই তল্লাশি অভিযান, তা অবশ্য সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়নি। মুখে কুলুপ এটেছেন পিসি সরকারের পরিবারের সদস্যরাও।

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, চিটফান্ড-কাণ্ডের তদন্তে ৪টি জায়গায় তল্লাশি চলছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এই ৪টি বাড়ির মধ্যে একটি হল জুনিয়র পিসি সরকারের বাড়ি।

একটি রেস্তরাঁ নিয়ে টাওয়ার গোষ্ঠীর সঙ্গে জুনিয়র পিসি সরকারের ব্যবসায়িক চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তির সময় তিনি টাওয়ার গোষ্ঠী থেকে টাকাও নিয়েছিলেন। রেস্তরাঁ নিয়ে টাওয়ার গোষ্ঠীর সঙ্গে যে চুক্তি, তার বাইরে অন্য কোনও ভাবে টাকা লেনদেন হয়েছিল কি না, তা জানার চেষ্টা করছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।

সিবিআই সূত্রে খবর, শুক্রবার মুকুন্দপুরের পূর্বালোকের বাড়িতে সকাল সাড়ে ১১টা থেকে তল্লাশি চালানো হয়েছে। বিভিন্ন নথিপত্র খতিয়ে দেখা হয়েছে। টাওয়ার গ্রুপের সঙ্গে কী ভাবে তার চুক্তি হয়েছিল, সে বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

Continue Reading
Advertisement
Advertisement
Advertisement e

আমাদের ফেসবুকে পেজ লাইক করুন

Advertisement
Advertisement

জনপ্রিয় পোস্ট